আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও নবী (সা.) দিবস উপলক্ষে সাহিত্য সংস্কৃতি কেন্দ্র আয়োজিত দ্বিতীয় শিশু-কিশোর ক্যালিগ্রাফি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, ক্যালিগ্রাফি একটি সুন্দর শিল্প। যারা এ শিল্পের চর্চা করেন তারা সুন্দর মনের মানুষে পরিণত হন। আমাদের উচিত আগামী প্রজন্মকে সুন্দরের সাধকে পরিণত করতে—এ শিল্পের চর্চা শিশু-কিশোরদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া।
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১২, জাতীয় প্রেস ক্লাব অডিটোরিয়ামে মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভিসি প্রফেসর ড. আবদুর রবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক শিল্পী ড. আবদুস সাত্তার। প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম আর্ট কলেজের প্রতিষ্ঠা অধ্যক্ষ শিল্পী সবিহউল আলম, নয়াদিগন্তের শিল্প সম্পাদক হামিদুল ইসলাম ও শহীদুল্লাহ ফজলুল বারী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক শিল্পী ইব্রাহীম মণ্ডল। বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রের সেক্রেটারি কবি আসাদ বিন হাফিজ, সহকারী সেক্রেটারি শরীফ বায়জীদ মাহমুদ প্রমুখ।
প্রধান অতিথি ড. আবদুস সাত্তার বলেন, নবী করিম (সা.) ক্যালিগ্রাফি শিল্পীদের ভালোবাসতেন। তিনি এ শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। সভাপতির বক্তব্যে ড. আবদুর রব বলেন, মুসলমান শিল্পীরা ক্যালিগ্রাফি এবং আল্লাহর সৃষ্টি বিভিন্ন প্রাকৃতিক দৃশ্যের ছবি এঁকে তাদের শিল্প দক্ষতার প্রমাণ করেছেন। অশ্লীল ও নগ্ন এবং জীবের ছবি আঁকা ছাড়াও যে শিল্প চর্চার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন সম্ভব।
শতাধিক শিশু-কিশোর এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। বিচারকদের চূড়ান্ত রায়ে বিজয়ীরা হলো : ক-গ্রুপে (শিশু শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণী-বয়স অনূর্ধ্ব ১২)—প্রথম-ফয়জুর রহমান, আইডিয়াল ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী নূর ই জান্নাত হেরা, দ্বিতীয়-পশ্চিম শান্তিবাগ ইসলামিয়া মাদরাসার চতর্থ শ্রেণীর ছাত্র মাহমুদ হাসান মাশরুর, তৃতীয়- মানারাত ইন্টারন্যাশনাল কলেজের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী সুমাইয়া ফাতিমা শরীফ। খ-গ্রুপে (৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ১০ম শ্রেণী-বয়স অনূর্ধ্ব ১৭) প্রথম হয়েছে আইইএস স্কুলের নবম শ্রেণীর আবদুল কুদ্দুস, দ্বিতীয়-খিলগাঁও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র মো. হাসান বিন ইব্রাহীম, তৃতীয়-তাহফিজুল কোরআন মাদরাসা দশম শ্রেণীর ছাত্র তারিকুল ইসলাম। বিজয়ীদের নগদ অর্থসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার দেয়া হয়।
No comments:
Post a Comment